Wait for download link




দ্যা রেইপ অব বাংলাদেশ: বইটি লিখেছেন অ্যান্থনি মাসকারেনহাস।
পাকিস্তানের দুর্বিপাকের পূর্বরঙ্গ
হাজার 1971 সাল 25 মার্চ বৃহস্পতিবার। বিকেল পাঁচটা ঢাকা বিমানবন্দরের রাস্তায় বাবলা ও অসত্য গাছের বিকেলের ছায়া দীর্ঘতর হতে শুরু করেছে। সে সময়ই নম্বরবিহীন কাল মার্সিডিজ গাড়ি প্রেসিডেন্টের নিশান উড়িয়ে সেনাবাহিনীর গার্ডেন নিরাপত্তার মধ্যে টার্মিনাল ভবন এর বিপরীত শান শওকত সহ এসে দাঁড়ালো।

20 গজ দূরে রাখা করাচির আকাশ পথ পাড়ি দেবার জন্য পাকিস্তান আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ বিমানে প্রস্তুত হয়েছিল। এই সাদা সবুজ বর্ণের বইটিতে পূর্ণ জ্বালানি নেওয়া হয়েছে। যাত্রাপথ হাজার মাইল। দক্ষিণ ভারতের সমুদ্র বন্দরের শ্রীলংকার উত্তোলন করে তারপর পশ্চিম পাকিস্তানের প্রবেশপথ করাছি। বাছাই করা বৈমানিক শক্ত হাতে বিমানের প্রবেশপথে স্বাগত জানানোর জন্য দাঁড়িয়েছে। কিন্তু তাদের অনুগ্রহ তো এই অনুষ্ঠানে সকলের স্বাভাবিক বিষন্ন দেখাচ্ছিলো। যে কজন উচ্চপদস্থ সামরিক অফিসার প্রেসিডেন্ট কে বিদায় জানাতে এসেছিলেন, তাদের গাম্ভীর্যে চিহ্ন স্পষ্ট শুনেছি তার ছাপ। চারদিকে দুশ্চিন্তার দূরে যাব কিসে উঠেছিল। মৌসুমী রুপকথার ওগো মোর আবহাওয়া তাতে আরও তীব্র উত্তেজনা প্রকাশ পেয়েছে। পাশে দাঁড়ানো এক অনুগৃহীত জাযালু কন্ঠে বলে উঠলো এটাকে চুরি ছাড়িয়ে টুকরো টুকরো করতে।
সেই ভয়াল দিনে ঢাকা বিমানবন্দর কে ইউরোপীয় মিত্র বাহিনীর একটি সুরক্ষিত আগুয়ান বিমানঘাঁটির মতো দেখাচ্ছিল। পর্যটন বিভাগ এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী সাড়ে সাত কোটি বাঙালি আদর্শিত প্রাদেশিক রাজধানী ঢাকা নগরী। কিন্তু বাঙালি জনতার দৃষ্টির বাইরে আছে ঢাকা কুর্মিটোলা বিমানঘাঁটি। কোন বাঙালি মুখ দেখা যায়নি, পক্ষান্তরে পশ্চিম পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর উপস্থিতির সর্বোচ্চ। সমস্ত বিমানবন্দরটি ওরা ছেড়ে রেখেছে। বিমানবন্দরের চারপাশের চত্বরে সামরিক স্মৃতিগুলো বন্দুকের নল উঁচিয়ে দর্শকের উঠিয়ে দিয়েছে। বিমানবন্দরের প্রান্তের পিচঢালা পথে ইতস্তত বালির বস্তা আস্তানায় চুয়াল আটা জনযুদ্ধের পোশাকে মেশিনগান তাক করে দিয়েছে। পিছনে বিমানবাহিনীর বিদ্যুতিক আমার গুলুগুলু বিশেষ পেশাদারী ভঙ্গিতে বসে রয়েছে। সেদিনের বিমানবন্দরে অনুপ্রবেশকারীরা দর্শনার্থী ছিল না, শুধু বিকেলের পড়ন্ত বেলায় একমাত্র জাকজাক বাদামের সোনালী দাস মাছি অলস ভাবে উঠতে দেখা গিয়েছিল।
বিমানবন্দরে উৎকণ্ঠা পূর্ণ আবহাওয়া ক্রমান্বয়ে লাউঞ্জ থেকে হলঘরের সংক্রমিত হয়ে গেল। ভবনের অভ্যন্তরে 2000 নারী-পুরুষ-শিশু যাদের বেশিরভাগই ছিল বাঙালি যেমন সম্প্রদায়ভুক্ত অন্যান্যরা পাঠান। আসন্ন বিপদের বয় বাসায় পড়া পোশাকে পালাচ্ছে। অনেকই ও নিশ্চয়তা এবং অনিদ্রার রাত কাটাচ্ছে বিমানবন্দরের লনে। আদম সন্তানদের উপস্থিতিতে এ বিছানাপত্র ব্যবস্থা বেশ নোংরা হয়েছে বিমানবন্দর। এমন একটা অস্বস্তিতে তারা রয়েছে, তা বেশ বোঝা যাচ্ছে। আতঙ্ক ছাড়াও এখানে খাদ্য এবং পানীয় জল সরবরাহ ছিল অপ্রতুল।
প্রেসিডেন্টের আগমনের আগে হল এর মধ্যে কোন বাজনা হইচই চলছিল হাত ভর্তি টাকা নিয়ে আমরা ঘুষ দিয়ে বিমানের আসনের পারমিট বাগানের ব্যস্ততা নিয়ে অসঙ্গত বিমান অফিসারদের সঙ্গে দরকষাকষিতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছিল। তবে তাদের দরকষাকষি প্রচেষ্টা বিফল হয়নি। এখন উচ্চকণ্ঠে ফিসফিস আওয়াজ। বিমানের বেশ ক'জন কর্মী জানালায় দাঁড়িয়ে থাকা সহকর্মীর সঙ্গে যোগ দিল। বাইরে তাকিয়ে দেখল প্রেসিডেন্টের বিদায় যাত্রা। যারা সেদিন প্রেসিডেন্টের বিদেশযাত্রা দেখছেন তারা সেই বিদায়লগ্নে কখনো ভুলবেন না। অন্য আর সব দিক থেকে লোগোটি ছিল পাকিস্তানের ইতিহাসের সমাপ্তি মুখ ফেরানো।
10 দিন আগে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার ঢাকায় এসেছিল ফুরফুরে হালকা মেজাজে নিয়ে, এখানে সেখানে গভীর হতাশা। মেজাজে মলিনতার কালোছায়া সেথা সর্বোচ্চ সকলের মুখে সংক্রমিত হয়েছে।
আগা মোহাম্মদ ইয়াহিয়া খান আজ আর অফিসারদের সময় নষ্ট করতে চাননি। তারা তো এখন স্বদেশ বিজয়ের যুদ্ধের ময়দানে। সত্যিকার অর্থে, সামরিক কায়দায় তিনি বিদায় ও বিবর্তন সংক্ষিপ্ত করলেন। তাছাড়া এক মাইল দূরে ইস্টার্ন কমান্ডের হেডকোয়ার্টার কনফারেন্স রুমে আটঘন্টার দীর্ঘ বিবর্তনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আলোচনা শেষ করে তিনি এসেছেন। সেজন্য সামরিক শুভেচ্ছা বিনিময় হল সীমিত কজনের সঙ্গে। দুজন ঊর্ধ্বতন সামরিক অফিসারের সঙ্গে একটু ফিসফিস নিচু স্বরে কথা হল। ফ্যাশন দুরস্ত সামরিক সালাম বিনিময় হলো। এবার প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া স্বচ্ছন্দ পদক্ষেপে বিমানের প্রবেশপথে উঠলেন এবং নির্দিষ্ট আসনে বসলেন।
উদীয়মান বিমানে সিআইএ-র অতীতেও নাম এসেছে। আর সেদিনের বিমান আয়োজন ছিল অতুলনীয়।বিমানের দরজা বন্ধ হতে না হতেই একজন বিমানবালা বিমানের পূর্বার রীতি উপেক্ষা করে কচ ও সূরা সহ গাছ সাজিয়ে মান্যবর মেহমুদের দিকে এগিয়ে এলো। ফেনায়িত ঘাস উল্টে স্পর্শ করলেন মেহমান। কয়েক মিনিটের ব্যবধানে তিনি অনুরোধ গ্রহণ করতে থাকলেন। প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের ভয়াবহ আসন্ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে ধরনের প্রস্তুতি স্বাভাবিক। তিনিতো হাতের গুটি ছেলে এসেছে। যেন সিজার এতক্ষণে রাই বিকন অতিক্রম করেছেন।

200 বছর আগে এমনি দিনে সাম্পান স্বরূপে থাকে প্রস্তুত রেখেছিল দিনটি ছিল 969 সালের 25 মার্চ পাকিস্তানের লিপিতে সামরিক শাসনের আরো একটি দিনের সংযোজন। এদিনটি জানা লাগা মোহাম্মদ ইয়াহিয়া খানের সর্বাধিনায়ক পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার উৎসবের দিন। বয়োবৃদ্ধ অসুস্থ ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান তখন অনিশ্চয়তায় ধ্বংসের মুখে। তার দশ বছরে নিয়ন্ত্রিত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের রূপান্তরিত হলে তাকে পিছু হটতে বাধ্য করেছিল। সে সময়টা ছিল সরকারি অস্বাভাবিক এবং বড় বড় রচনাশৈলী সৃজিত ব্যবস্থার স্বৈরাচারী একনায়ক তন্ত্র শাসন।


পাকিস্তানি যেসব মৌলিক সমস্যার সমাধান না হয় জাতীয় ঐক্য চিড় ধরেছিল, নতুন সামরিক শাসন সেসবের কোন সমাধান দিতে সম্মত হয়নি। তবে উত্তেজনা প্রমোশন তার সামরিক সহায়তা করেছিল মাত্র। সেই সংকটকালে জেনারেল ইয়াহিয়া বে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। তার সামরিক দম্বের তোরা হাতে এত টুকু বাবা গিয়েছিল যে, তিনি বিক্ষুব্ধ খরস্রোত কে এই সময়ের জন্য হলেও বাগে আনতে পেরেছিলেন।

যাহোক, পাকিস্তানি সামরিক শাসন চক্রের হাতে খেলার নামে ক্ষমতার রাজনীতির অবস্থিতি রয়ে গেল। 23 বছরের শোষণ এবং হতাশা পূর্ববাংলার জনতাকে আরো গণতান্ত্রিক অধিকার অর্জনের আন্দোলনের সোচ্চার করে তুলেছিল। অন্যদিকে সামরিক বাহিনী যদিও গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলে প্রাথমিকভাবে বিবেচিত হচ্ছিল, তবু বিগত 12 বছরে তারা ক্ষমতার অংশীদারিত্বের এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার উপভোগ করে এসেছে তা ছাড়তে সত্যিকার অর্থে তার কোন ইচ্ছে ছিল না। অতএব নতুনভাবে সমস্যা গুছিয়ে উঠতে থাকে। দু'বছর রাজনীতি পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাবার পর চাকাগুলো শেষ হলো। রাজনৈতিক অগ্ন্যুদগম পূর্ণ। তবে এবারে সামরিক শাসন চক্র ভুল সংশোধনের বাইরে চলে গেল।

কেমন বেদনাদায়ক পরিস্থিতিতে জেনারেল ইয়াহিয়া খান 30 হাজার ফুট উলসের উড়তি পথে তার দ্বিতীয় ক্ষমতা দখলের অভিষেক উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন।এ নিরানন্দ নিঃসঙ্গ বিষন্নতায় সাম্পান শরাবের চেয়ে হুইস্কি তাদের আত্মনিমগ্ন করল।

পাকিস্তান পতনের কারণগুলো যুক্তিকতা

শেখ মুজিবুর রহমানের বিখ্যাত ছয় দফা ঘোষণা পশ্চিম ও পূর্ব পাকিস্তানের মধ্যে বিরাজমান 24 বছরের উপনিবেশিক সম্পর্কের এক সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তার অগ্নিঝরা বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন। মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর এক বছর পর অর্থাৎ হাজার 948 সালে উপনিবেশিক ব্যবহার চলে আসছিল। তখন শেখ মুজিব ছিলেন অপরিচিত একজন ছাত্র। 1971 সালের 25 মার্চ পূর্ব পাকিস্তানের বর্বর পশ্চিম পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর অত্যাচারে পূর্ববাংলার বিচ্ছিন্নতাকে স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠা করেন।
সে দুঃখের কাহিনী বর্ণনা করতে কয়েক ঘন্টা হয়েছে। এক্ষেত্রে আমরা সে প্রচেষ্টা আনার উদ্যোগ নেই। আমার কাহিনী শুধু সাম্প্রদায়িক মাসগুলোতে পাকিস্থানে আসার রাজনৈতিক ক্রিয়াকান্ডের প্রতিবেদন যা ক্রমান্বয়ে বিবি সিমা কয় গণহত্যার পথে এগিয়ে যায়। আমার সৌভাগ্য হয়েছিল বিশ্ববাসীর কাছে 13-6-20 সানডে টাইমস পত্রিকার মাধ্যমে সে ঘটনা তুলে ধরবেন। এখানে যদি আমি পুরনো ঘটনার বর্ণনা দিতে থাকি তবে সেটা ছিল প্রাসঙ্গিক কারণে। সংগঠন অনেকেই জানে না কিংবা জেনে থাকলেও ভুলে গেছেন। নেহাত প্রয়োজনের তাগিদে সারসংক্ষেপের উদৃতি দিয়েছি। পূর্ব পাকিস্তানের বর্ণনা দিতে আমি ইচ্ছে করেই ইসলামাবাদ সরকারের প্রচলিত সংজ্ঞা ইসলামিক রাষ্ট্র এবং আদর্শিক রাষ্ট্রের পরিবর্তে মুসলিম রাষ্ট্র শব্দটি ব্যবহার করেছি। ইসলামের সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ নেই। বড় পাকিস্তানের দৈনিক পত্রিকাগুলো আমি যে পত্রিকায় কাজ করেছি তাতে প্রতিদিন পবিত্র কোরআনের বাণী প্রকাশিত হয়। আমি এসব বাণী পার্টি আনন্দ এবং সান্তনা পেয়েছি। গত 23 বছরে সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি ইসলামাবাদ সরকারের উদ্বোধন হচ্ছে আমাদের দেশের প্রতি আমি বিশ্বস্ত এবং পূর্ব পাকিস্তানে সাড়ে ছয় কোটি মুসলমানের মত পোষণ করেন
পাকিস্তানি সত্যিকার অর্থে একটি আদর্শিক ভিত্তি রয়েছে কিন্তু আদর্শিক রাষ্ট্র হিসেবে যা সাধারণত বলা হয়ে থাকে তা হয়ে ওঠেনি। স্বীকার করতে হয়, পশ্চিম পাকিস্তানের অধিকাংশ লোকের উক্তি আমি প্রথমে মুসলমান পড়ে পাকিস্তান। কিন্তু আমি দেখেছি এস মুক্তিযুদ্ধ সুবিধা আদায়ের আবেগ বস্তুনিষ্ঠ হিন্দি আদর্শিক আরতি উপশমের অবলম্বন মাত্র। ইসলাম এবং পাকিস্তানের মতাদর্শ অনুশীলন এ দুটির মাঝে শূন্যতা পূরণে ব্যর্থ প্রয়াস রয়েছে। জাতীয় সত্তা অস্বীকারের দুটি ব্যাপার এই কাজ করেছে। প্রথমত পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বেদনাদায়ক অর্থনীতিকে আসামের পটভূমিতে ধর্মের পিছু হটা। দ্বিতীয়তঃ পূর্বাঞ্চলীয় মুসলিম জনগোষ্ঠী বিশেষ দেড় কোটি হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি মানসিকভাবে প্রত্যাখ্যান এবং তাদের ও নির্ভরযোগ্য ও অপাঙক্তেয় বিদেশিদের ব্যবহার করা।পূর্ববাংলার বর্তমানে যে হিন্দুদের নিশ্চিত করার নিশংস নিধনযজ্ঞের উচ্চ সূত্র সেই পাকিস্তানি ইসলামী অন্ধত্বের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যাবে।

পাকিস্তানের স্থপতি কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ দেশের জনগণের মধ্যে জাতিসত্তার জাগরণে দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছিলেন। পাকিস্তানের প্রাথমিক ঘোষণায় তিনি জনগণকে বলেছিলেন যে, মুসলিম হিন্দু খ্রিস্টান এবং পাশে পরিচয় ভুলে শুধু পাকিস্তানি পরিচয় তাদের ভাবতে হবে। এ কারণ সুভাজিত। উপমহাদেশের ভাগাভাগিতে 4 কোটি মুসলমান পাকিস্তানের জনসংখ্যা কত দেখান সের সমান ভারতের একই পাকিস্তানি সৃষ্টি হয়। পাকিস্তান পূর্বাঞ্চল রংস পেয়েছে দেড় কোটি হিন্দু কে। সাম্প্রদায়িক ব্যাগ রক্ত কানাকানির মাধ্যমে ভারত উপমহাদেশে পাকাপাকি হলে এ অবস্থায় দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। আমার আগে মুসলমান পরে পাকিস্তানি এ ধারণা পোষণ করার জন্য উভয় দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের পদমর্যাদা এবং অবস্থা হইলো। জিন্নাহ সাহেব দীর্ঘদিন বাঁচেনি। তার আদর্শ অনুসারীগণ তার বিগত দর্শন কে পাশ কাটিয়ে গেল। ক্ষমতা লাভের উচ্চাকাঙ্ক্ষার পরিচিত হয়ে তাদের সাম্প্রদায়িক বুদ্ধি জনগণের মধ্যে স্থায়ীভাবে সাম্প্রতিক ব্যবস্থা নিলে। স্পেন পর্তুগাল এবং আইরিশ জনগণ যেভাবে ধর্মবিশ্বাসের ক্যাথলিক রাষ্ট্র পাকিস্তানের ভাবে একটি মুসলিম রাষ্ট্র। ব্রিটেনের তেমনি প্রদুসড অন্ড। আজ পর্যন্ত পাকিস্তানি লিখিত সংবিধান ইসলামের প্রতি বুলি কপচানো ছাড়া অথবা দেশের আইন-কানুনকে কিংবা প্রশাসনিক কাঠামোতে দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ইসলামী আদর্শিক অনুশাসনের কোন স্থায়ী রূপ প্রকাশ পায়নি যদি সত্য না হয় তবে কেন ভারত থেকে মুসলমানদের পাকিস্তানের ব্যাপারটি বাধা দেওয়া হয় তাহলে পশ্চিম পাকিস্তানী সামরিক পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের উপর অত্যাচার গঠনের কথা বলা হয় না পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে

To Top